মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়মাবলী

নতুন সংযোগ গ্রহন

 # ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে। 

# আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত আবেদন ফি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) এর ক্যাশ শাখায় জমা প্রদান করে রশিদ ও প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ ‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ এ জমা করলে আপনাকে একটি নিবন্ধন নম্বরসহ পরবর্তী আগমনের তারিখ জানানো হবে।

# পরবর্তী আগমনের তারিখে যোগাযোগ করলে আপনাকে ডিমান্ড নোট ও প্রাক্কলন ইস্যু করা হবে।‘‘গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ সংলগ্ন সমিতির ক্যাশ শাখায় ডিমান্ড নোটের উল্লেখিত অর্থ জমা প্রদান করে ওয়ারিং সম্পন্ন পূর্বক  অবহিত করলে সমিতি কর্তৃক ওয়ারিং পরিদর্শন পূর্বক সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক সরবরাহকৃত অথবা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ক্রয়কৃত মিটার গ্রাহক জমা দিলে মিটার গ্রাহকের আঙ্গিনায় স্থাপন করা হবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভবপর না হয় তবে কারন জানিয়ে আপনাকে একটি পত্র  দেয়া হবে।

# পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারী করা হবে।

 

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি

 

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

 

# সংযোগ গ্রহণকারী পার্সপোট সাইজের ০২ (দুই) কপি সত্যায়িত রঙ্গিন ছবি।

# জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি।

# ইউনিয়ন পরিষদ / পৌরসভা কর্তৃক বাড়ীর অনুমোদিত সত্যায়িত নক্সা এবং নামজারীসহ হোল্ডিং নম্বর এর সত্যায়িত কপি ও দলিল অথবা দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, জমির দলিল, চেয়ারম্যান / কমিশনারের সার্টিফিকেট (যেখানে নক্সা অনুমোদন নাই)।

# লোড চাহিদার পরিমান।

# জমি / ভবনের ভাড়ার (যদি প্রযোজ্য হয়) দলিল।

# ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্মতি পত্রের দলিল।

# পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি। 

# অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরণ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

# সংযোগ স্থানের নির্দেশক নক্সা।  

# শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

# পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (শিল্পের ক্ষেত্রে)। 

# সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট এর বেশী হবে না।  

# বহুতল আবাসিক / বাণিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্ল্যাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যায়িত কপি।

 

৫০ কিঃ ওঃ এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে

 

# সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা অথবা সংশ্লিষ্ট হাউজিং কর্তৃক অনুমোদিত বাড়ীর নক্সায় (সত্যায়িত কপি) লে-আউট প্ল্যান।

# সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

# মিটারিং কক্ষ প্রদানের অঙ্গীকারনামা।

# উপকেন্দ্রে স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎপরিদর্শকের দপ্তর থেকে প্রদত্ত উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র।

 

শিল্প-কারখানা ও ৬ তলার অধিক ভবনে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে-

 

# পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

# ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্রের কপি।

 

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি

 

১. বাড়ী / বাণিজ্যিক / দলগত / দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য- ১ থেকে ৯ জন পর্যন্ত গ্রাহকের ক্ষেত্রেঃ-   ১০০.০০ টাকা (জনপ্রতি)।

    ১০ হতে ২০ জন পর্যন্ত গ্রুপ সম্বলিতঃ- ২০০০.০০ টাকা (নির্ধারিত)।

২. সেচ কার্য্যে বিদ্যুৎসংযোগের ক্ষেত্রেঃ- ২৫০.০০ টাকা।

৩. যে কোন ধরনের অস্থায়ী সংযোগের জন্য- ১৫০০.০০ টাকা।

৪. শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংযোগের জন্য (জিপি)- ২৫০০.০০ টাকা।

৫. বৃহৎশিল্প প্রতিষ্ঠানের সংযোগের জন্য (এলপি)- ৫০০০.০০ টাকা।

৬. নিজ খরচে সংযোগের জন্য- ১৫০০ টাকা

৭. পোল/লাইন স্থানান্তরের জন্য- ৫০০ টাকা

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমাণ -  

 

১. আবাসিক / বাণিজ্যিক / দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য এক কিলোওয়াট লোডের জন্য = ৬০০.০০ টাকা অথবা পরবর্তী এক কিলোওয়াট বা আংশিকের জন্য = ২০০.০০ টাকা।  

২. সেচ কার্য্যে অগভীর নলকুপ / এলএলপি প্রতি হর্স পাওয়ারের জন্য = ৬২৫.০০ টাকা (সেচ অগ্রীম বিদ্যুৎবিল / বিলের সাথে সমন্বয়যোগ্য)।

৩. গভীর নলকুপ প্রতি হর্স পাওয়ার ১০০০.০০ টাকা (সেচ অগ্রীম বিদ্যুৎবিল যা বিলের সাথে সমন্বয়যোগ্য)।

 

অস্থায়ী বিদ্যুসংযোগ

 

মেলা, আনন্দ মেলা, ধর্মসভা / ধর্মীয় অনুষ্ঠান, নির্মাণাধীন সাইট যেমন-রাস্তা, ব্রীজ ইত্যাদিতে অস্থায়ী সংযোগ দেওয়া যাবে কিন্তু নির্মাণাধীন বাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং কমপ্লেক্সে অস্থায়ী সংযোগ দেওয়া যাবে না। ইহা সম্পূর্ণরূপে অস্থায়ী সংযোগ হিসাবে বিবেচিত হবে যাহা কখনই স্থায়ী সংযোগ হিসাবে রূপান্তরিত করা যাবে না। এই জাতীয় সংযোগের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত শর্তাবলী ও নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং নির্মাণ কাজের নিমিত্তে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য বিদ্যুৎসংযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।সেক্ষেত্রে ২৩০/৪৪০ ভোল্ট বিদ্যুৎসরবরাহের জন্য মূল্যহার শ্রেণী ই-এর জন্য প্রযোজ্য মূল্যহারকে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। ১১ কেভি ও  ২২ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মূল্যহার সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর দ্বিগুণ হবে। গ্রাহক সংযোগ চার্জ এবং অতিরিক্ত হিসাবে অস্থায়ী সংযোগের সময়ের জন্য দৈনিক ৬ (ছয়) ঘন্টা বিদ্যুৎব্যবহারের ভিত্তিতে প্রাক্কলিত বিল জমা দিলে পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অথবা গ্রাহকের চাহিদার দিন থেকে অস্থায়ী সংযোগ দেয়া হবে। গ্রাহকের জমা অর্থ মাসিক বিদ্যুৎবিলের সাথে সমন্বিত করা হবে। যদি অস্থায়ী সংযোগ প্রদান করা সম্ভব না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

 

লোড পরিবর্তন

 

নতুন পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে। চুক্তি পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে। অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার / মিটার বদলানোর প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে। প্রাক্কলন ও জামানতের অর্থ জমা দানের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে লোড বৃদ্ধি কার্যকর করা হবে। যদি লোড বৃদ্ধি করা সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতি

 

গ্রাহক ক্রয়সূত্রে/ওয়ারিশসূত্রে/লিজসূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপিসহ নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা করে আবেদন করতে হবে। সরেজমিন তদন্ত করে নাম পরিবর্তনের জন্য বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে। গ্রাহক জামানত বাবদ উক্ত বিল নির্ধারিত ব্যাংকের বুথ / শাখা / দপ্তরে পরিশোধ করে তার রসিদ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিলে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter